শেখ হাসিনা ও ৫ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অভিযোগ গঠন
আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রিসভার ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করেছে। এই অভিযোগগুলো ২০২৪ সালে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া গুলিবিদ্ধ হত্যাকাণ্ড ও বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর অবৈধ সহিংসতা বিষয়ক।
ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি নিরাপত্তা বাহিনীকে গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন, যার ফলে প্রায় ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কড়া সমালোচনার শিকার হয়েছে এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি সংবেদনশীল অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অভিযুক্ত মন্ত্রীরা হলেন জননিরাপত্তা মন্ত্রী, ডিজিটাল নিরাপত্তা মন্ত্রী, প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী, প্রধান সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব। ট্রাইব্যুনালের অভিযোগপত্রে তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো উঠে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা এই অভিযোগ গঠনকে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক মোড় হিসেবে দেখছেন, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিবিসি নিউজের ফাঁস হওয়া একটি অডিও ক্লিপের ভিত্তিতেও এই অভিযোগ গঠনের পেছনে প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে শেখ হাসিনার কণ্ঠে “শুট অন সাইট” নির্দেশ পাওয়া যায়।

No comments:
Post a Comment